শালিস
দেশে সালিশের নামে বিচার ব্যবসা এক শ্রেণীর টাউট প্রতারক
অরক্ষিত গ্রামের অভিভাবকহীন শিক্ষিত ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন ব্যক্তিকে অবহেলা অপমান অপদস্ত
করতে বিপদের সুযোগ বুঝে তৎপর হয়। এ স্বার্থান্বেষী মহল ভিকটিমকে জিম্মি করে অসৎ উদ্দেশ্য
হাসিলে তৎপর হয়ে উঠেছে। অঞ্চলভেদে ওই প্রতারক গোষ্ঠী মুরুব্বি,
মন্ডল, মোড়ল, কাজী,
সরদার, মাতব্বর ও জাঁদরেল উকিল প্রভৃতি নামে পরিচিত। তাদের নাম দাম প্রভাব
অনেক। এদের ভয়ে দাপটে কেউ কিছু বলতে সাহস করে না। যেন এরা সমাজে সত্যবাদী। এসব সমাজপতি সরাসরি
ঘুষ খায় না। পর্দার আড়ালে যেমন রিক্সা ভাড়া, টেম্পো ভাড়া,
দুপুরে হোটেলে ভাতের বিল, উকিলের খরচ,
পিয়নের খরচ, মুহুরীর খরচ, শালিসের খরচ,
পান, সিগারেটের কথা বলে টাকা নেয়। সালিশের ওজন নালিশের ধরন পক্ষ
বিপক্ষের আর্থিক সামাজিক অবস্থা বুঝে এসব সমাজপতিরা সালিশ ডেকে বিচারের ভাগ্য নির্ধারণ
করে। বিচার কতটুকু সুষ্ঠু সু² স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হল,
পক্ষ বিপক্ষের কতটা কাজে এলো সেটা বিচারক হিসাবে দেখার বিষয় নয়। ফলে সমাজে অশান্তি বিশৃঙ্খলা
হচ্ছে। ন্যায় অন্যায় দেখা তাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। এরা আইনের আওতায় বাধা নয়। এসব মুরুব্বি এতই
ক্ষমতাশালী যে সালিশে ফতোয়া দেয়, দুররা মারে,
মাথা ন্যাড়া করে, ঘর ছাড়া ও সমাজচ্যুত করে রাখে। কত নারী পুরুষ এদের
খপ্পরে পড়ে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে, সহায় সম্পদ হারিয়ে,
অপদস্ত হয়ে সমাজে বেঁচে আছে, তার হিসাব নেই। তাই অবিলম্বে রাজনৈতিক
পরিচয়ের এসব টাউট প্রতারকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রচলিত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ হওয়া
আবশ্যক। নচেৎ সর্বক্ষেত্রে আস্তাহারানের পেক্ষাপট সৃষ্টি হবে।
নোয়াখালী সদর সেটেলমেন্টে ৩২/০১-০২ আপত্তির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত
জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আদালতে নামজারী আপীল নং- ৮৩/০৮-০৯ মোঃ মোকসুদ আলম বনাম জুলফিকার
হোসেন। নোয়াখালী
বার কাউন্সিলের উকিল খগেশ চন্দ্র নাগ (বাপ্পা), উক্ত মোকসুদ
আলম নালিশী ১। মাকসুদ
আলম, ২। মাহবুব
আলম, পিতা- মৃত গোলাপ মিয়া (যুদ্ধাপরাধী) পরবর্তী
নাম পরিবর্তন করে গোলাম রহমান হয়েছেন। ৩। তাজুল ইসলাম, পিতা- মৃত
মফিজ, ৪। নূরনবী, পিতা- মৃত
মফিজ উল্যা, ৫। রহমত উল্যা
মোন্টা, পিতা-মৃত আমীন উল্যা, ৬। আবদুস ছালাম, পিতা- মৃত
এছাক মিয়া, ৭। নাছির, ৮। লিটন, ৯। শিপন, ১০। রিপন, সর্ব পিতা-
মৃত আবদুর রব বাচ্ছু, সর্ব সাং- পশ্চিম মহদূরী, থানা- সুধারাম, জিলা- নোয়াখালীগণ স্বর্গ
লাভে মিথ্যা বলবে এরা। পিটিশন-২২৮/০৭ইং, শহিদুল ইসলাম কায়সার, জুডিশিয়াল
ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত নং-১, নোয়াখালী তাং ২৮/০৮/০৮ইং বাবুল
মিয়া বনাম খোদেজা বেগম, পিটিশন
মামলা নং-২৯৯/০২, জি. আর
নং- ১৫৭৭/০৭, রোবাবার
রেজি নং- চ ২৫৮, ১ম বর্ষ
৩৬তম সংখ্যা পলাশের সম্পাদনায় আজকের উপমায় প্রকাশ- নোয়াখালী ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতে উমেদার ছায়েদুল হকের সহযোগিতায় পেশাকার আবু তাহের ৩০ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়ে
১৫ মার্চ ২০০০ই তারিখে দায়ের পিটিশন ১৭২/২০০০
মামলার নথি গায়েব করে দেয়। ফলে ৩০
অক্টোবর ২০০০ চট্টগ্রাম রেঞ্জ উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক বরাবর (আলু বাচ্ছু) লিখিত অভিযোগ
দায়ের করে। নোয়াখালী পৌরসভা ওয়ার্ড
নং-৫, সাবেক হোল্ডিং নং ১২০৮ হালে ১৩২৭, ২১/৭/১৯৮৫ইং
ভাঃপ্রাঃ মেয়র মোঃ দেলোয়ার হোসেন ১৭-১১-০৮ইং, তারিখ
স্বাক্ষরিত স্মারক নং ১১৩৭(৫) নোটিশ। নোবেল
জয়ী সাহিত্যিক এলিয়ার কানেথ, আদালত মোক্তার
সাদাকাতকে বের করে দিয়েছিল, মক্কেলের
স্বার্থে বিরক্ত করার কারণে।
0 Comments