Looking For Anything Specific?

Header Ads

খোঁড়া যুক্তি। Lame excuse

The man who ordered coffee and a Dani... | Items | National ...

আর্জি সংশোধন ২১ দিনে, সি.আর.ও ভলিউম-১, বিধি ৫৫কিন্তু আইনজীবী অসৎ উদ্দেশ্যে কিংবা অজ্ঞতা প্রসূত নিজ চেম্বারে মক্কেলের মূল্যবান কাগজপত্র আটকিয়ে রেখে কালক্ষেপন করে মুহুরীর ঘাড়ে দায় চাপিয়ে দিয়ে নিজেকে রক্ষা করেমামলার বিলম্ব কারণ ও বিচার প্রার্থী বিচার বঞ্চিত হনএবং বিজ্ঞ বিচারকে মক্কেলের কাছে হেয় করতে বলেন বিচারক ঘুষখোর, তার জন্য টাকা লাগবে এসব বলে থাকেনসমন জারী দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৫, বিধি-১২ ও ১৫)প্রকাশ্যে লটকিয়ে সমন (দেং কার্যবিধি, আদেশ-৫, বিধি -১৭)। (সি. আর. ও, ভলিউম-১, বিধি-৭৬)আদালতে সমন ফেরৎ (সি. আর. ও, ভলিউম-১, বিধি-১০৫)একতরফা শুনানী রাষ্ট্র ৩ মাস (দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ -৮, বিধি-১)শুনানী জবাব দাখিল, ৬০ দিনে, (দেং কার্যবিধি, আদেশ -৮, বিধি-১)শুনানী, ১৫ দিনে, (দেং কার্যবিধি আদেশ-১৪, বিধি-১)জেরা, ১০ দিনের মধ্যে (দেং কার্যবিধি আদেশ-১১, বিধি-৮) একবার প্রশ্ন করা যাবে (দেং কার্যবিধি আদেশ-১১, বিধি-৮) ৯ইস্যু গঠন, ১০দিনের মধ্যে ৩০ ধারা ইস্যু গঠনের পর মুহুরী১০শুনানী, ১২০ দিনের মধ্যে (দেং কার্যবিধি আদেশ-১৪, বিধি-৮)
১১ড়ান্ত শুনানীর , ১২০ দিনের মধ্যে (দেং কার্যবিধি আদেশ১৮, বিধি-১৯)১২রায়, ৭ দিনের মধ্যে (দেং কার্যবিধি আদেশ-২০,বিধি-১১)১৩ডিক্রি, ৭ দিনের মধ্যে (দেং কার্যবিধি আদেশ-২০, বিধি -৫) এ প্রসেসগুলো শেষ করতে কত দিন লাগে হিসাব করুনকিন্তু আইনজীবী মুহুরী, পেশকার পিয়ন ও বিচারক কি অজুহাতে কালক্ষেপন করে এ কথা জিজ্ঞেস করলে শুনবে-অসৎ উদ্দেশ্যফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে দেখুন: দ্রুত বিচার আদালতে মামলার বিচার ১২০ দিনে শেষ করতে বলা হয়েছে, তদন্তের জন্য ৬০ দিন, ফৌজদারী কার্যবিধি ৩৩৯(সি) ধারায় ৩৬০ দিনে মামলা নিষ্পত্তি করে আসামীকে খালাস কিংবা জামিনে মুক্তি দিতে বলেছেএসব আইনকে অস্বীকার করা হলে, দেওয়ানী, ফৌজদারি ও রাজস্ব আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭৬ ধারার উপাদান সৃষ্টি হয়তখন আর ফরিয়াদি অভিযুক্ত আদালতে প্রযোজ্য নয়তা হলে কার বিরুদ্ধে হয়, চিন্তুা করে ভেবে চিন্তে বের করুন
মাদারীপুর কোর্টে ১৯১২ সালে একটি বাটোয়ারা মামলা দায়ের করেন শচীন মধুতার জীবদ্দশায় এই মামলার রায় দেখে যেতে পারেননিএমনকি তার ছেলেও রায় দেখে যেতে পারেননিতিন পুরুষ গেছেমামলার ৫ জন আইনজীবীও মারা গেছেমামলাটি মাদারীপুর কোর্ট থেকে বর্তমানে হাইকোর্টেদীর্ঘ ১০৫ বছরেও মামলা নিষ্পত্তি হয়নিএই মামলার আইনজীবী জানিয়েছেন, এটিই তার জীবনে সবচেয়ে দীর্ঘায়িত মামলাএকজন দাবিদার মারা গেলে আরেকজন দাবি করে মামলা করেনযার কারণে মামলাটি শেষ হচ্ছে নাআসল কথা হলো উকিল সাহেব আইন জানেন না, এ মামলার মক্কেল থেকে খরচা নিয়ে তিনি অসৎ পন্থায় সংসার চালানের এবং ছেলে মেয়েকে ভরন পোষণ দিয়েছেন ও ভ্যাবিচারে লিপ্ত হয়েছেন অন্যের শ্রমের টাকা বিনা শ্রমে নিজের পকেটে ঢুকিয়েছেন মিথ্যা বলে
উক্ত নালিশী সম্পত্তি আরেকজন দাবী করলেও তো হবে না, দাবীর স্বপক্ষে বৈধতা, যুক্তিও থাকতে হবে, তাও নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে, যুগের পর যুগ, শতাব্দীর পর শতাব্দী হতে পারে না সেটাএকই মামলা ১০৫ বছর চলন্ত থাকা বিচার ব্যবস্থায় অদক্ষতা, অসততা কাজ করেছে বটেপরের দাবীদার নতুন মামলা করবেএকটি মামলা ৩৬০ দিনে সকল প্রসেস শেষ করতে হয়
অন্যদিকে ১৯৯৪ সালে পুরান ঢাকার সূত্রাপুরে দুই মহল­ার মধ্যে মারামারিতে মাহতাব নামে এক ব্যক্তি খুন হনএ খুনের ঘটনায় মোঃ জাবেদ বাদী হয়ে সূত্রাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন২০০০ সালের ৭ নবেম্ভর জনৈক শিপনকে গ্রেফতার করে পুলিশঅভিযোগপত্র দাখিলের ৫ বছর পর ২০০১ সালে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়শিপন গ্রেফতারের পর থেকেই কাশিমপুর কারাগারে আটক ছিলেনবর্তমানে ঢাকার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে মামলাটি বিচারাধীনদীর্ঘ ২২ বছর আগের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ১৭ বছর ধরে বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে কারাগারে থাকা মোঃ শিপনকে সম্প্রতি মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট৪৬২ জন বন্দীর তালিকা থেকে ৫৮ জনের বিষয় উচ্চ আদালতের নজরে আনা হয়আদালত এই ৫৮ জনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করেএর মধ্যে শুধু শিপনই নন জামিন পেয়েছেন সেন্টু, চাঁন মিয়া, মকবুল হোসেন, বিল­াল হোসেন, রাসেল, মোঃ পারভেজ, মাসুদ, লিটন, বাবুসহ ১৬ জনঅন্যদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি ও কয়েকজনকে চিকিৎসা প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে
এই দুটি মামলাই নয়, দেওয়ানি ও ফৌজদারির প্রায় ৩১ লাখ মামলা বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে যুগ যুগ ধরে নিষ্পত্তি হচ্ছে নাকেন নিষ্পত্তি হচ্ছে না তা অনুসন্ধানে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছেদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতিসহ সুপ্রীমকোর্টের রেজিস্ট্রার ও আইনজীবীগণ তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেনমামলা নিষ্পত্তিতে আইন কমিশন অনেক আগেই আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক স্থায়ী কমিটিতে ২৭ দফা সুপারিশ দিয়েছেন
এ ছাড়া দুর্বল এফআইআর, দুর্বল চার্জশীট, সাক্ষী উপস্থিত না করতে পুলিশ (কোম্পানী) প্রশাসনের ব্যর্থতা, বিচারকের অপ্রতুলতা, কিছু আইনজীবীর সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ না করা, হাইকোর্ট থেকে স্টে অর্ডার, রুল দেয়া, সাক্ষী হাজিরে পুলিশ ও এপিপিদের উৎসাহ না থাকাপদ্ধতিগত এই ৭ বাধার কারণে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তিতে যুগের পর যুগ পার হয়ে যাচ্ছেসাবেক বিচারপতি হাবিবুর রহমান বলেছিলেন সব শিয়ালের এক ডাক হুক্কা হুয়াআরেক সাংবাদিক লিখেছিলেন বিচার বিভাগকে ঘুন পোকা ধরেছে
পুলিশ স্টেশন কিংবা থানায় রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে টাউট ও দালাল চক্রতাদের সুপারিশে থানায় মামলা হয়, আসামী গ্রেফতার হয় এবং তাদের ভয়ে পুলিশ অফিসার ভীতও হনএসব টাউটে পুলিশ ও আইনজীবীকে বিনাশ্রমের টাকা পাইয়ে দিতে সহায়তা করে থাকেওয়ারেন্ট ৭ দিনের মধ্যে তামিল করার কথা বলা থাকলেও আসামী গ্রেফতারে পুলিশ তার নিজের খেয়াল খুশীমত তামিল করে টাউটের ইশারায়, ফলে মোটা দান মিলেসান্ধ্য আইন না মেনে আসামীকে বৃহঃস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করে রবিবারে আদালতে ফরোয়ার্ডিং বা চালান করেএ সময়ে তথ্যের বাণিজ্য হয় মোটা অংকের টাকার, ফলে ধৃত ব্যক্তি আদালতের অগোচরে থানা থেকে মুক্তি পায়আদালত ২৪ ঘন্টার বেশী সময় থানায় আটকে রাখা বিষয়ে গোঁজা মিল দিয়ে চালানপত্র লেখে, এর মধ্যে টাউটে ও ধৃত আসামীর আত্মীয় স্বজন কথিত আইনজীবীর মধ্যে সন্তোষজনক লেনদেন হলেই ধৃত আসামীর মুক্তি মিলেসামর্থবান আসামী লেনদেন শেষে বের হয়ে যায়, দুর্বল আসামীকে অতিক্রান্ত সময়ের বিষয়ে অজুহাত দাঁড় করাতে দেরী হয় নাএক্ষেত্রে সোর্সের গায়ে পুলিশী পোষাক পরিয়ে আসামীকে চিনতে ও ধরতে সাথে নেওয়া হয়েছেমিথ্যা বলা মহা পাপ, মিথ্যা লেখায় নেই পাপ এই স্লোগানে এগিয়ে যাচ্ছে দেশঈমান যাক আর থাক, মিথ্যা বলতে হয়, নইলে আইনের ধারা বসানো যায় না, ধারা না থাকলে বিচার হয় না, বিচার না হলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় নাআইন শৃঙ্খলা বাহিনীর আইনের ভয়, মসজিদে বেহেশত লাভ, দোযখের ভয়, মন্দিরে স্বর্গের লোভ নরকের শাস্তি এসব অগ্রজই প্রচার করে কোভিড-১৯ ভাইরাসের ভয়অগ্রজ আইনজীবীর ইশারায় ভয়ে দিশেহারা অনুজ আসামী ও ফরিয়াদিযুদ্ধ বিগ্রহ মহামারী ভারসাম্য রক্ষায় ম্যালথাসীয় ত্বত্ত¡

Post a Comment

0 Comments