রাজনৈতিক পরিচয় দিয়া টাউট লেডী স্কট টাউট মোটা তাজাকরণ।
রাজনীতিতে যখন পিশাচ ঢুকে পড়েছে তখন এমন হওয়া স্বাভাবিক। জন্তুর
নাম ”আঁই কিচ্ছি” অভাবের
তাড়নায় ঝুঁকিপূর্ণ বাহনে দেশত্যাগ করতে গিয়ে এ ব্যক্তি গহীন জঙ্গলে আটক হয়ে যায়। বেশ কয়েক
মাস পর বন বিভাগের গবেষক দল বনে প্রবেশ করে দেখে- ঝরা জীর্ণ শীর্ণ দেহের লোম ও চুলে
ঢাকা এক জন্তু! দীর্ঘদিন না খেতে পেয়ে অনাহারে থেকে গোঁফ দাঁড়ি কাটতে না পেরে লোমে
চুলে মুখ ঢেকে গেছে এ নোয়াখালাইল্যা ম্যানের! সুশীল সমাজের আস্তানায় নিয়ে যেতে লাঠি
দিয়ে গুতা মেরে পরীক্ষা করলে শব্দ করে- "আঁই কিচ্ছি?” শব্দের
মানে অর্থ খুঁজতে বিশেষজ্ঞ দল ডাকা হলো। সে বিশেষজ্ঞ
দলের মধ্যে একজন নোয়াখালীর লোক। সে বলে
এ তো আমার দেশী জ্ঞাতি ভাই। দেশী বলছে
সে কি করেছে, কেন তাকে
গুতা মেরে আঘাত করছেন। সে তা জানতে চায়। পরে বিদেশীরা
দেশীর সাথে দেশীকে রেখে দিতে বলেছে। একদিন সে
দক্ষ হয়ে নিজ দেশে ফিরে এসে- এমপি, মন্ত্রী, রাষ্ট্রীয়
পরামর্শক হওয়ার প্রতিযোগায় অংশ নেয়। এমপি পাপুল, মন্ত্রী
নাসিম, অধ্যক্ষ
সিরাজ দৌলারা, মানিকগঞ্জের
জেলা প্রশাসক- ডিআইডিজি মিজান, সহকারী জজ জাবেদ ইমাম, জি. কে শামীম, ইসমাইল
হোসেন সম্রাট- ভয়ংকর সন্ত্রাসী এরশাদ শিকারের চেয়েও ভয়ংকর ওরা। লোভে পাপ
পাপে মৃত্যু- এটা কেউ মনে রাখে না। যেমনটি
ঢাকা মিরপুর থানার ওসি ছালাউদ্দিন আমার সাথে করেছিল। পাপিয়ার
পাপের সাম্রাজ্য স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে বিলকিসের রাজত্ব। আরডিসি
নাজিম উদ্দিনের নির্যাতন সাংবাদিক আরিফকে কলেমা পড়ে এনকাউন্টারের ভয় এবং উলঙ্গ করে
ভিডিও ধারন। জামালপুরের ডিসির পর দিনাজপুরের
ডিসিশিক্ষিকার সাথে অনৈতিক সম্পর্ক। জামালপুরের
ডিসির অফিসে ক্যামেরা লাগিয়েছিল কে? এই মাষ্টার প্ল্যান কেন করেছিল? জানলে আপনি
অবাক হবেন। বৃহস্পতিবার রাতে খন্দকার
সোহেল আহমেদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে জেলা প্রশাসকের আপত্তিকর ভিডিওটি পোস্ট কর
হয়। জেলা প্রশাসকের এমন কর্মকাণ্ডে
শুক্রবার ভোর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তবে শুক্রবার
সকাল থেকে ওই আইডিতে আর ভিডিওটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। আপনাদের
কোন গঠনমূলক মন্তব্য থাকলে করতে পারেন। আমার তথ্যে
ভুলও থাকতে পারে। ডাঃজাফরউল্যার
চৌধুরী গণস্বাস্থ্যে কম্পিউটারে কাজ করতেন খুলনারবাবু ভাই, পার্টটাইম
করতেন বেলীরোডে আসাদুজ্জামান
রিপনের গ্লোবাল মিডিয়াতে চাঁদপুরের হাসান মোস্তাফিজ (বর্তমানে ইত্তেফাকে সাহিত্য সম্পাদক)আমিও সেখানে
কাজ করতাম। পরে সমকাল পত্রিকায় ছিলাম।তারপরে
প্রথম আলো যুগান্তর পত্রিকায় মিজানুর রহমান খান সাহেবের সাথে কাজ করতাম।ধর্মের
কল বাতাসে নড়ে!! সত্য গোপনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেল আজ। জুলফিকার
মাইজদী, নোয়াখালী
মোবা: ০১৬২৭২৩৪১১০
0 Comments